পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যাকাণ্ডে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে নিজ বসতঘরে লুকিয়ে রাখা বস্তাবন্দি শিশুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার আসামি রুবেল প্যাদা (৩৫) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
এর আগে গত রোববার সন্ধ্যায় নিজ বসতঘরের রান্নাঘর থেকে শিশুটির বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার রাত ৯টায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, চাচা রুবেলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক নিহতের বাবা বাবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতে রুবেল হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাছাড়া প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সব তথ্য প্রমাণ পুলিশ পেয়েছে। হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়ে ওসি বলেন, ময়না তদন্তের রির্পোট ছাড়া সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে সুরতহাল রিপোর্টে পাওয়া আলামত এবং পুলিশের তদন্তে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ধারনা মাথায় রেখেই তদন্ত করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, দু’দিন নিখোঁজের পর রবিবার (৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামের নিজ বসতঘরের রান্নাঘর থেকে স্কুলছাত্রী আয়েশা মনির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ওসি বলেন, নিহত শিশুটির মা দীর্ঘদিন বিদেশে আছেন। মায়ের অবর্তমানে বাবা তার (নিহত শিশু) সমবয়সী এক মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এসব ঘটনা দেখে শিশুটি তার বড় বোনকে জানায়। তখন পরিবারে কলহ দেখা দেয়। বিষয়টি গোপন রাখতে তার বাবা আত্মীয় রুবেল প্যাদার সঙ্গে মেয়েকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন। হত্যার আগে দুজনের মধ্যে আর্থিক লেনদেনও হয়।










