বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জিয়াউর রহমানের পর বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিলেন, সেই দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশের সব বড় অর্থনৈতিক সংস্কার করেছেন জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া।
আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ আয়োজিত শোকসভায় এসব কথা বলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে। জিয়াউর রহমানের পর গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যে পথ তিনি ধরে রেখেছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন বেগম জিয়া।
আমীর খসরু বলেন, জিয়াউর রহমান ব্যক্তিখাত ও প্রাইভেট সেক্টরে যে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া সেটিকে ধারণ করে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়নে তাদের ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক।
তিনি আরও বলেন, শুধু গণতন্ত্র নয়, অর্থনীতিতেও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে মাল্টিসেক্টর ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়েছেন। তার বৈদেশিক নীতির কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্ব পেয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, মৃত্যুর আট থেকে নয় বছর আগেই বেগম খালেদা জিয়া দেশের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যখন কেউ সংস্কারের কথা চিন্তাও করেনি, তখন তিনি ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেন। পরে তারেক রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ৩১ দফা কর্মসূচি দেওয়া হয়, যেখানে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কীভাবে পুনর্গঠন করা যায়, তার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব খাত বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া প্রয়োজন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেগুলো প্রাইভেটাইজেশন করা হবে। শুধু মুক্ত বাজার অর্থনীতিই নয়, সরকারি ও বেসরকারি—সব প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাকেই বিএনপি গুরুত্ব দেয়।
– এমইউএম/










