সুষ্ঠু নির্বাচনে সাংবাদিক ও প্রশাসনকে একযোগে কাজ করতে হবে: সারওয়ার আলম

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতার নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। সাংবাদিক ও প্রশাসন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর উদ্যোগে সিলেটে আয়োজিত ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ক দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবের আমীনূর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারী
দেশের মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সিলেটের ৫০ জন সংবাদকর্মী এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনকালীন সংবাদ সংগ্রহ, নৈতিকতা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্য
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম বলেন, “পড়াশোনা ও জানার কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতার নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। সাংবাদিক ও প্রশাসন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, গণভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের বস্তুনিষ্ঠ লেখনীর মাধ্যমেই জনগণ গণভোটের গুরুত্ব বুঝে মতামত প্রদানের সুযোগ পায়।

অন্যান্য অতিথিদের বক্তব্য
সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার উপসম্পাদক সুলতান মাহমুদ এবং সিলেট মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ। বক্তারা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পিআইবি’র সিনিয়র প্রশিক্ষক মো. শাহ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। দুই দিনের এই নিবিড় প্রশিক্ষণে নির্বাচনকালীন প্রতিবেদন তৈরির কৌশল এবং আইনি দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ৫০ জন সংবাদকর্মীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র তুলে দেন জেলা প্রশাসক ও অতিথিরা।