আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৬৭ বছর বয়সী এই নেতার স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা। শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি নিজেকে একজন চিকিৎসক (এমবিবিএস) হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সম্পদ ও আয়ের বিবরণ
হলফনামার তথ্যমতে, ডা. শফিকুর রহমানের কোনো ব্যাংক ঋণ নেই। ২০২৫-২৬ করবর্ষে তিনি ৩০ হাজার টাকা আয়কর জমা দিয়েছেন। তার মোট সম্পদের হিসাব নিচে তুলে ধরা হলো:
অস্থাবর সম্পদ (মোট ১ কোটি ২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা প্রায়):
নগদ টাকা: ৬০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
ব্যাংক জমা: ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
শেয়ার ও বন্ড: ২৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
গাড়ি: ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি।
স্বর্ণালংকার: ১০ ভরি (অর্জনকালীন মূল্য ১ লাখ টাকা)।
ইলেকট্রনিক্স ও আসবাব: ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদ (মোট ৪৭ লাখ ২৫ হাজার ৮৩৪ টাকা):
কৃষিজমি: ২১৭ শতক (মূল্য ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা)।
অকৃষিজমি: ১৩ শতক (মূল্য ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা)।
বাসা: ১১.৭৭ শতক জমির ওপর একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি (অর্জনকালীন মূল্য ২৭ লাখ টাকা)।
নির্ভরশীলদের তথ্য
ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী আমেনা বেগম (সাবেক সংসদ সদস্য) গৃহিণী এবং তার নিজস্ব কোনো আয় বা সম্পদ নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিন সন্তানের সম্পদের তথ্য দিয়েছেন জামায়াত আমির। তার এক মেয়ের ৫ লাখ, আরেক মেয়ের ১৭ লাখ ৭৫ হাজার এবং ছেলে রাফাত সাদিক সাইফুল্লাহর ৩০ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।
মামলার খতিয়ান
হলফনামায় ডা. শফিকুর রহমান তার বিরুদ্ধে থাকা মোট ৩৪টি মামলার তথ্য উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে ৩২টি মামলা ২০০৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দায়ের করা হয়েছে (৩০টি ঢাকায় এবং ২টি সিলেটে)। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ২টি ফৌজদারি মামলা হাইকোর্টে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
-এম. এইচ. মামুন









