পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার মাত্র দুদিন পর পুনরায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান। আগের মতোই তাকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিশেষ সহকারী পদে থাকাকালে অধ্যাপক সায়েদুর রহমান প্রতিমন্ত্রীর বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় তাকে বিশেষ নির্বাহী ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে অবসর গ্রহণ সংক্রান্ত দাপ্তরিক জটিলতা এড়াতেই তিনি সম্প্রতি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। গত ৩০ ডিসেম্বর তার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছিল। অবসর-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আজ ১ জানুয়ারি তাকে পুনরায় একই দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হলো।
পদত্যাগকারী তিন বিশেষ সহকারীর প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের নভেম্বরে স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের কাজের গতি বাড়াতে ও সহযোগিতার জন্য তিনজনকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: তৎকালীন বিএসএমএমইউর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সায়েদুর রহমানকে স্বাস্থ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা তিনি পুনরায় ফিরে পেলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকশ চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তবে গত ২৪ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়: এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলামও কয়েক মাস আগে পদত্যাগ করেছেন।
বর্তমানে পদত্যাগ করা অন্য দুই মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী পদে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। তবে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ গতিশীল রাখতে অধ্যাপক সায়েদুর রহমানের এই পুনর্নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এম এইচ মামুন










