নাসির নগরে  হাড়কাঁপানো শীত,খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসির নগর উপজেলায় মৌসুমি শীতের প্রভাবে হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। হিমেল বাতাস আর কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ) সকাল ৯টায়  নাসিরনগরে  চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ১১দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। একই দিন বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ১৯দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এর আগের দিন বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হিমেল বাতাস ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে খেটে খাওয়া মানুষের চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে , এছাড়া তীব্র শীতের ফলে দেখা দিচ্ছে শিশু- বৃদ্ধদের ঠান্ডা জনিত নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ। তবে আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সকাল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছিলো হালকা কুয়াশা। সকাল ১২টার পর সূর্যের দেখা মিললেও হালকা বাতাসে ঠান্ডা আরও বেড়েছে। শীতের তীব্রতায় গ্রাম ও শহরের হাটবাজারে লোকসমাগম কমে গেছে, কমেছে যানবাহন চলাচলও।

সদর উপজেলার কলেজ মোড় এলাকার অটোরিকশাচালক বাছির মিয়া বলেন,“আজ শীত খুব বেশি। হাত-পা জমে আসছে। যাত্রী কম, আয়ও কমে গেছে।” বাজারের ভ্রাম্যমাণ সবজি বিক্রেতা মজিবুর রহমান বলেন, সকালে কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে গ্রাম থেকে পণ্য আনতে দেরি হয়েছে, ফলে বেচাকেনা কম।
এদিকে শীত বাড়ায় উপজেলার বিভিন্ন শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কম থাকে। কয়েকদিন পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

খ ম,জায়েদ হোসেন,নাসিনগর
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি