অধ্যাদেশ জারি- প্রকাশ্যে ধূমপানের শাস্তি ২ হাজার টাকা জরিমানা

জনসমাগমস্থলে বা পাবলিক প্লেসে ধূমপানের শাস্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ ও সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন এই আইন অনুযায়ী, এখন থেকে পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে ৩০০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার টাকা জরিমানা গুনতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে অধ্যাদেশটি কার্যকর করা হয়েছে।
বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেবল পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জরিমানাই বাড়ানো হয়নি, বরং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের অন্যান্য ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেও শাস্তির মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা।
জনসমাগমস্থলে ধূমপান করলে পূর্বের ৩০০ টাকার পরিবর্তে এখন ২ হাজার টাকা জরিমানা। তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, বিপণন এবং বিক্রয় সংক্রান্ত বিধিনিষেধ অমান্য করলে শাস্তির মেয়াদ ও অর্থদণ্ড উভয়ই বাড়ানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর অধ্যাদেশটি সারা দেশে অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জরিমানার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষ জনসমক্ষে ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবে। বিশেষ করে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, অফিস-আদালত এবং পার্কে যারা নিয়মিত পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন, তারা এই আইনের সুফল পাবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে আইনটি কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

-এম এইচ মামুন