কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কুর্শা এলাকায় ৬৫ বছর বয়সী ফারুক মিয়া জানান, ‘৬৫ বছর বয়সে এরম শীত লাগে নাই। শীতে শইল জমে যাইতাছে। কামেও যাইতে পারতেছি না। এরম শীত থাকলে আমরা বাঁচুম না।’
নিকলী এলাকায় তীব্র শীতের কারণে অনেক মানুষ প্রতিদিনের কাজ করতে পারছেন না। ৭০ বছর বয়সী রহিমা আক্তার বলেন, “সারা দিন সূর্যও ওঠে না। ছেলে-মেয়েরা ঘরের বাইরে যায় না, ঘরে ঘুমিয়েই দিন পার হচ্ছে।”
এভাবেই নিকলীর অনেকে তীব্র শীতের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এদিকে দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। আজ সোমবার সকালে হাওর–অধ্যুষিত এই উপজেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল রোববার নিকলীতে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
নিকলী আবহাওয়া কার্যালয় জানায়, সোমবার সকালে এই উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদ আক্তারুজ্জামান ফারুক জানান, শীতের তীব্রতা সামান্য কমলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এখনো বয়ে যাচ্ছে।
নিকলী সদর এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে নিম্ন আয়ের মানুষরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। বোরো ধানের আবাদেও প্রভাব পড়েছে, চারা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।










