বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ঢাকায় যাওয়ার জন্য ভাড়ায় বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ না পেয়ে লালমনিরহাট রেলস্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ‘লালমনিরহাটের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে এ অবরোধ করা হয়।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের কর্মসূচির কারণে লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী আন্তনগর লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনসহ অন্তত চারটি ট্রেন রেলস্টেশনে আটকা পড়ে। নির্ধারিত সময়ে রেলস্টেশন ছাড়তে না পারায় ভোগান্তিতে পড়েন ওই ট্রেনের যাত্রীরা। পরে বিকেলে ভাড়ায় বিশেষ ট্রেন বরাদ্দের আশ্বাস পেয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কর্মসূচি স্থগিত করলে বেলা সাড়ে তিনটার পর ট্রেনগুলো গন্তব্যে ছেড়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাট রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশনমাস্টার আকবর আলী।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশনে এ অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে লালমনিরহাটের সঙ্গে ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে যায়নি লালমনিরহাট–ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেস। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢাকায় যাতায়াত নিশ্চিত করতে ভাড়ার বিনিময়ে একটি বিশেষ ট্রেন বরাদ্দের জন্য রেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে তারা রেলপথ অবরোধে নেমেছেন। অবরোধকারী আফজাল হোসেন বলেন, বিশেষ ট্রেন বরাদ্দ না দেওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলমান থাকবে। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হবে।
এদিকে অবরোধের কারণে স্টেশনে আটকে পড়েছেন শতশত যাত্রী। অনেকেই বিকল্প যানবাহনের খোঁজে স্টেশন ত্যাগ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেলওয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
লালমনিরহাট রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আকবর আলী বলেন, অবরোধকারীরা রেললাইনের ওপর অবরোধ করছেন, যার কারণে ট্রেন ছাড়তে পারছি না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, তারা যা ব্যবস্থা নেবে সে পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।










