ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মার্কিন সিনেটের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছেন পেশাদার কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত এই রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের উত্তরসূরি হিসেবে বাংলাদেশে মার্কিন মিশনের দায়িত্ব নেবেন।

তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকা দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়াও তিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টে বাংলাদেশ ডেস্ক অফিসার হিসেবেও কাজ করেছেন।

নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সিনেট শুনানিতে তিনি বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন । 

পিটার হাস ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দায়িত্ব শেষ করার পর থেকে এই পদটি শূন্য ছিল, যেখানে অন্তর্বর্তীকালীন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন দায়িত্ব পালন করছিলেন।

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে অনুমোদন দি‌য়ে‌ছে মার্কিন সিনেট। তি‌নি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রদূত হিসেবে সিনেটের অনুমোদনের তথ্য নি‌শ্চিত করেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন নি‌জেই। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ ডি‌সেম্বর) সোশ্যাল মি‌ডিয়া প্ল্যাটফর্ম লিংকডইনে এক পোস্টে ব্রেন্ট জানান, বাংলা‌দে‌শের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে মা‌র্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের অনুমোদন পেয়ে আমি সম্মানিত এবং এর জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঢাকায় সবশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় দায়িত্ব পালন করেন।

মামুন