পুতিন দাবি করেন যে, ইউরোপীয় দেশগুলোকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি কাল্পনিক হুমকির ভয় দেখানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অযৌক্তিক।
তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া কূটনৈতিকভাবে ইউক্রেন সংকটের সমাধান করতে আগ্রহী, তবে পশ্চিমা বিশ্ব শান্তি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করলে সামরিক উপায়ে ইউক্রেনের ভূখণ্ড দখলের হুঁশিয়ারি দেন তিনি,।
পুতিন ইউরোপীয় নেতাদের কড়া সমালোচনা করে তাদের মার্কিন স্বার্থের অনুসারী বলে অভিহিত করেন।
তিনি রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের আধুনিকায়ন এবং সামরিক শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন যে, তাদের সশস্ত্র বাহিনী এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা এবং যুদ্ধাভিজ্ঞ।
তিনি আরও বলেন, ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার পদক্ষেপ বাতিল করলে, রাশিয়া সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইউক্রেনের ভূমি দখল করবে।
সম্প্রতি ব্রিটেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল স্যার রিচার্ড নাইটন রাশিয়া যুক্তরাজ্যে হামলা করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘর্ষ রোধ করতে যুক্তরাজ্যের আরও বেশি মানুষকে প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। নিয়মিত বাহিনী, ক্যাডেট ও রিজার্ভ বৃদ্ধিসহ দেশের সমগ্র সমাজের এ বিষয়ে উদ্যোগী হতে হবে। তিনি আরও বেশি সংখ্যক স্কুল পাশকারী ও স্নাতকদের প্রতিরক্ষা বিভাগে যোগদানের আহ্বান জানান।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়া ইউরোপের সাথে কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না, তবে আক্রান্ত হলে তারা লড়াইয়ের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত
যদিও প্রতিরক্ষা কর্মীদের প্রধান পরামর্শ দিয়েছিলেন, যুক্তরাজ্যের ওপর সরাসরি রাশিয়ার আক্রমণের শঙ্কা খুব কম।
মামুন










