আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে কেউ কেউ ভোটে অংশ নিতে পারেন বলে কিছুদিন ধরে আলোচনা চলছে। এমনকি তপশিল ঘোষণার প্রাক্কালে তাদের সরকার থেকে পদত্যাগেরও আভাস পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, সরকারের পদে থেকে নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না। প্রচার করা না গেলে তো প্রার্থীও হতে পারবেন না। কাজেই সরকারের কোনো পদে থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না।’
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। তপশিল ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার। এ জন্য যে প্রস্তুতি প্রয়োজন, সব গ্রহণ করে রেখেছে ইসি। আসন বিন্যাস, আইন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার যারা থাকবেন তাদের প্রজ্ঞাপন, বিভিন্ন বিষয়ে ২০টির মতো পরিপত্র জারি হবে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, মনিটরিং সেল গঠন, আইনশৃঙ্খলার সেল গঠন এগুলোর ফরমেটগুলো রেডি রয়েছে।’
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রাহমানেল মাছউদ বলেছেন, ‘তপশিল ঘোষণার পূর্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ইসির দায়িত্ব নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির দায়িত্ব আসবে তপশিল ঘোষণার পর। চূড়ান্ত পোস্টাল ব্যালটে নিষিদ্ধ বা স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না।’










