বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সভাপতিত্বে গতকাল আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১৮তম কাউন্সিল অব দি কলেজ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের বাজেট, ভর্তি প্রক্রিয়া, পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল অবহিতকরণ, ফুল ফ্রি এমবিবিএস স্কলারশিপের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে চারজন বিদেশি ক্যাডেটের ভর্তি ও ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ফিলিস্তিনের দুজন শিক্ষার্থীর ভর্তি অনুমোদনসহ এই কলেজ থেকে পাস করা ইন্টার্নি চিকিৎসকদের সিএমএইচ ঢাকায় চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সভা শেষে সেনাবাহিনী প্রধান কলেজের সার্বিক মান উন্নয়নে কলেজের একাডেমিক ভবনের সম্প্রসারণ, ছাত্রীনিবাসের সম্প্রসারণ, মসজিদ কমপ্লেক্স, দর্শক গ্যালারি ও মাল্টিপারপাস হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৯৯ সালের ২০ জুন ৫৬ জন মেডিকেল ক্যাডেট নিয়ে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এই কলেজে ছয়টি শিক্ষাবর্ষে (ইন্টার্নিসহ) মোট ৭৬০ জন ক্যাডেট অধ্যয়নরত। এ কলেজ থেকে এ পর্যন্ত ২২টি ব্যাচে ১০০ জন বিদেশিসহ মোট ১ হাজার ৯০৮ জন চিকিৎসক সনদ লাভ করেছেন। যার মধ্যে ৫৪৭ জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ দেশে-বিদেশে কর্মরত আছেন।
সভায় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, সামরিক চিকিৎসা সার্ভিসের (ডিজিএমএস) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী মো. রশীদ-উন-নবী, সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. মাসুদুল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম ছাড়াও প্রতিরক্ষা, অর্থ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কাউন্সিলের সদস্যসহ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।










