বুধবার থেকে তারা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’- কর্মসূচি পালন করা শুরু করেন। এদিনই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষকদের পরীক্ষার হলে ফিরতে বলা হয়। দেয়া হয় হুঁশিয়ারিও। সেদিন রাতে দীর্ঘ সময় অনলাইনে মিটিং করেন শিক্ষক নেতারা। এরপর কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। পরদিন ৪২ শিক্ষক নেতাকে বদলি করা হয়। সেদিনই আন্দোলন থেকে সরে এসে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান। যাকে জয়পুরহাট থেকে নওগাঁয় বদলি করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কোনোভাবেই পরীক্ষা প্রতিহত করিনি। আমরা নিজেরা পরীক্ষা নেইনি এটা সত্য। দেশের অধিকাংশ স্থানেই পরীক্ষা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আমরাও অভিভাবক, তাদের ক্ষতি আমরা চাই না। কিন্তু আমাদের দেয়ালে পিঠ গেছে। সেজন্যই এই কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি। শিক্ষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বলেন, আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্যই পদক্ষেপ ঠিক করা হয়। কেউ পরাজিত হওয়ার জন্য আন্দোলন করে না। জুলাই আন্দোলন ব্যর্থ হলে আমাদের বীরদেরকেও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতো। সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও বাস্তবায়নে পিছিয়ে ছিল, সেজন্যই আমরা কঠোর হয়েছি। আমরা শিক্ষক, আমাদের মান-মর্যাদা, সম্মান রক্ষার আন্দোলন এটা। এই আন্দোলন ব্যর্থ হলে মেধাবীরা এই পেশায় কখনই আসবে না। জাতি গঠনে প্রাথমিকে মেধাবীদের আনার আন্দোলন এটা।
উল্লেখ্য, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের তিন দাবি হলো- সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড দাবির প্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আপাতত ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির বিষয়ে জটিলতার অবসান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি। *মম










