দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় কিশোর ও যুবতী মেয়েদের (১০-২৪) বছরের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার আদায়ের সুযোগ বর্ধিত (SAY-SRHR) বিষয়ে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১টায় হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমার সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
World Mission Prayer League (ল্যাম্ব হাসপাতাল) পরিচালিত গ্যাপ হেলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত (SAY- SRHR PROJECT) এ উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা পরিচালক এ,টি,এম নাজমুল হুদা, সহকারী পরিচালক মোঃ জাকিরুল ইসলাম, হাকিমপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সাব্বির আহমেদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আশরাফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ তাহিরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার মোছাঃ আরজেনা বেগম, মেডিকেল অফিসার মোঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শামসুল আলম, সমাজসেবা অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, একাডেমিক সুপারভাইজার, আলিহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আল ইমরান, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তের আশরাফুল ইসলাম, হিলি প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ গোলাম রববানী, ইউপি সদস্য মশিউর রহমান বকুল, আদিবাসী চেয়ারম্যান জুয়েল হেমব্রোম, ব্রাকের লিপিআরা বেগম, ল্যাম্ব এর উপজেলা ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা, কনটেন্ট উপস্থাপন করেন ল্যাম্ব হাসপাতাল পার্বতীপুর দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার, হাকিমপুর পৌরও খট্রামাধবপাড়া এলাকার ফিল্ড অফিসার আরজুমা বেগম, বিরামপুরের আবু বক্কর, আমেনা বেগম, মনি কিশোর রায় নার্স নাসিমা বেগম, উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মীর শহীদ সহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শাহনাজ পারভিন কো-অর্ডিনেটর ল্যাম্ব ফুলবাড়ি।
হাকিমপুর উপজেলায় SAY SRHR PROJECT বাস্তবায়নের লক্ষ্য কনটেন্ট উপস্থাপন করা হয়। সেখানে ল্যাম্ব এর বিভিন্ন কার্যক্রম হাসপাতাল, রিহ্যাব, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কনটেন্টে দেখা যায় ল্যাম্ব দেশের দিনাজপুর ও নেত্রকোনা জেলার ২৯ টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যাণ কেন্দ্র, ৫ উপজেলায় হাসপাতাল ও ৯০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে পহেলা এপ্রিল-২৫ এবং চলবে ৩১ মার্চ-৩০ পর্যন্ত। বাস্তবায়নে ল্যাম্ব, ও আর্থিক সহযোগিতায় গ্লোবাল এ্যাফেয়ার্স কানাডা ও ওয়াল্ড রিনিউ।
বক্তারা কিশোর ও যুবতী মেয়েদের স্বাস্থ্য-সচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
–লামিয়া আক্তার










