বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ক্রীড়াঙ্গন থেকে মন্ত্রী পাওয়ায় তার কাছ থেকে প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। দেশের ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলো, বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), আশা করছে আমিনুল হকের সঙ্গে মিলেমিশে দেশের ক্রীড়াকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেন, “একজন ক্রীড়াবিদকে আমরা ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে পেয়েছি। তিনি খেলার বাস্তব পরিস্থিতি জানেন এবং খেলোয়াড়দের সমস্যাগুলো ‘রিয়েল টাইমে’ বুঝতে পারবেন। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবেন। তিনি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, তার সময়ে আমরা সাফ জিতেছি। আমি নিশ্চিত, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অন্য একটি স্তরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এটি শুধু ক্রিকেট নয়, সব খেলা নিয়েও প্রযোজ্য।”
ভারতের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমিনুল হকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করেন ফারুক, “আমি নিশ্চিত তিনি বিচক্ষণ। যখন মন্ত্রী ছিলেন না, তখনকার এবং এখনকার সময়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আইসিসির সঙ্গে সম্পর্ক এখন এমন পর্যায়ে নেই, যেখানে তারা কোনো ভুল খুঁজে পেলে তা কাজে লাগাতে পারে। আগাম মন্তব্য করার দরকার নেই, তবে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।”
সরকারি সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়া প্রসঙ্গেও ফারুক জানালেন, “দায়-দায়িত্ব বিসিবির ওপর নয়। প্রথম সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাফিজের বিষয়টি এবং পরবর্তি হুমকিগুলোতে সরকার স্পষ্ট স্ট্যান্স দেখিয়েছে, বোর্ড শুধু তা অনুসরণ করেছে।”
এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও জানিয়েছেন, “শপথ অনুষ্ঠানের পর আমি সংসদ ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিষয়েও কথা হয়েছে। তিনি বন্ধুসুলভ ছিলেন এবং আমি সেভাবেই কথা বলেছি। আমরা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করতে চাই, কারণ প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চাই আমরা।”
-এমইউএম










