গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন। নির্বাচনের আগে সরকারি হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ১৬টি ক্লাব বয়কটের ঘোষণা দেয়। নির্বাচনের পর নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হলেও ক্লাব ক্রিকেট থমকে ছিল।
ক্লাবগুলোকে মাঠে ফেরানোর বিষয়ে কয়েক মাস ধরে অস্থিরতা চলছিল। ঢাকার ৪৫টি ক্লাব বিসিবির অধীনে সব ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেট বয়কট করে আসছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়লাভ করে সরকার গঠন করায় ক্রীড়াঙ্গনও নতুন নেতৃত্ব পায়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই ঢাকার ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দেন।
ঢাকার ক্লাব সংগঠকরা বিসিবি নির্বাচন ইস্যু নিয়েও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। ক্রীড়া সংগঠক রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, “আগামী সোমবারের মধ্যে আমরা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসব। একটু সময় নিচ্ছি, যাতে বিষয়টি সুন্দরভাবে করতে পারি। বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কীভাবে এগোব।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “প্রতিমন্ত্রীও জানেন যে যেভাবে এই নির্বাচন হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ অবৈধ। আমরা আশা করি বোর্ডকে অবৈধ ঘোষিত করা হবে।” এদিকে, বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন আলমগীর বলেন, “হাইকোর্টে আমাদের পক্ষেই রায় রয়েছে, শুধু স্থগিত আছে। এখানে সমঝোতার সুযোগ নেই। কিছু লোক পরিবর্তন হবে নতুন রিপ্লেসমেন্টে, যা মূলত কাল্পনিক।”
তিনি আরও যোগ করেন, “জেলা-বিভাগ থেকে আসা কাউন্সিলরদের চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, রিট দাখিল করা হয়েছে। এগুলো যদি অবৈধ ঘোষণা হয়, তবে ১০ জন বোর্ড পরিচালকের পদও অবৈধ হবে। ঢাকার ক্লাবগুলোর ভোটের বিষয়ও বিতর্কিত, কারণ নির্বাচনের দিন উপস্থিত থেকেও আগের দিন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়া হয়েছে।”
-এমইউএম










