আসন্ন ঈদুল ফিতরের যাত্রায় রেলে কোনো ধরনের হয়রানি, বিশৃঙ্খলা বা টিকিট কালোবাজারি বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রেলভবনে বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সভায় মন্ত্রী বলেন, “টিকিট বিক্রি, ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা ও যাত্রীসেবার মান-সবকিছুতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত লোকবল নিয়োগ, ২৪ ঘণ্টা তদারকি এবং স্টেশনে সরাসরি উপস্থিত থেকে মনিটরিং করা হবে। এই ঈদে হয়রানিমুক্ত, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রা নিশ্চিত করতে চাই।”
মন্ত্রী আরও নির্দেশ দিয়েছেন, সক্ষমতার বাইরে টিকিট দেওয়া হবে না এবং অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থাপনার আওতায় রাখতে হবে। আন্তনগর ট্রেনে ২৫ শতাংশ দাঁড়ানো টিকিট পুনর্বিবেচনারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সভায় রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে ১০০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে; একাধিক টিকিট কাটার চেষ্টা শনাক্ত করে তা ব্লক করা হচ্ছে এবং ভ্রমণকারীর নামের সঙ্গে টিকিট মিলিয়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
মন্ত্রী রেল খাতের দীর্ঘমেয়াদি লোকসান, দুর্নীতি ও অপচয় নিয়েও কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রার সময় কমানো এবং প্রথম শ্রেণির সেবার মানোন্নয়নের জন্য সাত দিনের মধ্যে সুস্পষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া রেল ইঞ্জিন উৎপাদনের সক্ষমতা পর্যালোচনার নির্দেশও দিয়েছেন।
সভায় দুই প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।
-বেলাল










