এ ছাড়া ছাত্র-জনতা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর বাস ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। হবিগঞ্জ শহরে ব্লকেড কর্মসূচি পালনসহ আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। এ সময় পুরো শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আওয়ামী লীগ নেতা, ব্লগার সুশান্ত দাসের মালিকানাধীন ‘দৈনিক আমার হবিগঞ্জ’ অফিসে হামলা চালানো হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু দেশি অস্ত্র। পরে এগুলো পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। পত্রিকাটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া হবিগঞ্জ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে হামলা চালায় ছাত্র-জনতা। এ সময় অফিসটি ভাঙচুরের পাশাপাশি শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ম্যুরালে আগুন দেওয়া হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনবহুল এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে গুজবে কান না দিতে এবং শান্তি বজায় রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে। যে কোনো সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য সংশ্লিষ্ট থানায় জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্থিরতা নিরসনে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংলাপের পাশাপাশি কঠোর আইনি ব্যবস্থা জরুরি।
পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার রয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
মামুন









