সিএনএনের সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে পারে। এ জন্য তারা ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।
গত কয়েকদিনে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হামলার পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় ধরনের যুক্তি পর্যালোচনা করছেন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উপদেষ্টা ও মিত্রদের মতামত নিচ্ছেন।
বুধবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুম-এ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প সামরিক প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন। এছাড়া ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ বৈঠক ও মধ্যস্থতা বিষয়ে তথ্যও তিনি ব্রিফ হয়েছেন।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা পরমাণু বিষয়ক পরোক্ষ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে একে অপরের মধ্যে কিছু “পথনির্দেশক নীতিমালা” নিয়ে একমত হয়েছে, তবে অনেক বিষয় এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, ইরান আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদের অবস্থানের বিস্তারিত জানাবে। তবে ট্রাম্প ওই সময়ের মধ্যে সামরিক পদক্ষেপ নেবেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
-বেলাল










