রাঙামাটি আসনে একক জয়, ছয় প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটির একমাত্র সংসদীয় আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী ছাড়া বাকি ছয়জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো সংসদীয় আসনে মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়। রাঙামাটি আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১৮টি। সে হিসেবে জামানত রক্ষা করতে হলে একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৩৪ হাজার ২৫২ ভোট পেতে হতো।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান ২ লাখ ১ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৪২ ভোট, যা নির্ধারিত সীমার চেয়ে কম হওয়ায় তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ১১ দলীয় জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক পেয়েছেন ২২ হাজার ৭১৫ ভোট, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রার্থী অশোক তালুকদার পেয়েছেন ২ হাজার ৯৭৪ ভোট, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৭২ ভোট, কোদাল প্রতীকের প্রার্থী জুঁই চাকমা পেয়েছেন ১ হাজার ৭০ ভোট এবং ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল বাশার পেয়েছেন ৪৪৯ ভোট। তারা সবাই আট ভাগের এক ভাগ ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

রাঙামাটির সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “কোনো প্রার্থী মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।”

এ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে বিজয়ী প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী নির্ধারিত ভোটসীমা অতিক্রম করতে না পারায় এককভাবে জয় পেয়েছেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

দর্শন চাকমা, রাঙ্গামাটি