ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। সেই তালিকায় যুক্ত হলেন অভিনেত্রী ও মডেল পারসা মেহজাবিন পূর্ণি। জীবনের প্রথম ভোট দিতে তিনি ঢাকা থেকে ছুটে গিয়েছেন সুদূর বগুড়ায়। তবে এই যাত্রা মোটেও সুখকর ছিল না, পোহাতে হয়েছে দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টার যানজটের ধকল। তবুও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত এই তারকা।
জীবনের প্রথম ভোট, তাই উত্তেজনাও ছিল অনেক। পারসা জানান, “আমি প্রায় ১৬ ঘণ্টা দীর্ঘ যানজট অতিক্রম করে বগুড়ায় গিয়েছি শুধুমাত্র আমার ভোট প্রদান করার উদ্দেশ্যে। ব্যক্তিগত অসুবিধা বা দূরত্ব এই দায়িত্ব পালনের পথে প্রতিবন্ধক হতে পারে না।” তার মতে, ভোটদান কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি নাগরিকের প্রত্যক্ষ অঙ্গীকার।
ভোটের দিনটিকে একটি ‘মর্যাদাপূর্ণ উৎসব’ হিসেবেই দেখেছেন পারসা। তাই সেজেগুজে শাড়ি পরেই হাজির হয়েছিলেন কেন্দ্রে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত-প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের এই মুহূর্তকে আমি যথাযথ সম্মান জানাতে চেয়েছি। সেখানে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করেছি, আমাদের প্রত্যেকের একক ভোটই সম্মিলিতভাবে জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।”
পারসা মনে করেন, ভোট কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের উপায় নয়, এটি একটি জাতির নৈতিক মানচিত্র নির্ধারণের প্রক্রিয়া। তিনি এমন এক সমাজের স্বপ্ন দেখেন—যেখানে মানুষ হবে শিক্ষিত ও সহনশীল। তার ভাষায়, “মতভেদ থাকবে, কিন্তু বিভাজন নয়। মানুষ ও প্রাণী উভয়েই নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বাঁচতে পারবে।” তিনি তার ভোটটি এমন নেতৃত্বের প্রতি অর্পণ করেছেন, যারা ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দেবে।
মাহমুদ সালেহীন খান










