“দৃষ্টি সবার অধিকার বয়স হলে ছানি হয়,অপারেশনে ভাল হয় ” স্লোগানকে ধারণ করে ব্রাহ্মণ বাড়ীয়া জেলার নাসির নগর উপজেলায় লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা লঙ্গন ভ্যালির উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ শনিবার ৩১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণ বাড়ীয়া জেলার নাসির নগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আশুরাইল-বেনীপাড়া সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানবিক অরাজনৈতিক সংগঠন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা লঙ্গন ভ্যালী আয়োজনে ও মোঃ শাহ নেওয়াজ চৌধুরী (শাবাল) র সার্বিক তত্বাবধানে এবং মোঃজিয়াউল ইসলাম
চৌধুরীর পরিচালনায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা লঙ্গন ভ্যালির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মোঃ সালমান আহম্মদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা লায়ন্স আই এন্ড জেনারেল হাসপাতালের জেলা গভর্নর একেএম সারোয়ার জাহান জামিল।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ডাউন- টাউন ভাইস প্রেসিডেন্ট নিলুফার ইয়াসমিন (নিলয়),লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা মেজিস্টক উত্তরা প্রেসিডেন্ট লায়ন্স ইমান আল মাহমুদ, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাঃ মেহেদী হাসান,ডাঃ জাহিদুল ইসলাম,ডাঃ আবুল হোসেন, ডাঃ মোহসীন ভূঁইয়া প্রমুখ।
উক্ত অভিজ্ঞ ৫ জন ডাক্তারের চিকিৎসা সেবায় এক হাজার জন চক্ষুরোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। ১০০ জন ছানী পড়া চুক্ষ রোগী চিকিৎসকা দেয়া হয়। লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা লঙ্গন ভ্যালির আয়োজনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবায় দুই শতাধিক রোগী বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে।
স্থানীয় চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবক সাইফুল আলম চৌধুরী, মঈন চৌধুরী, মোঃসবুজ মিয়া,নাজমুল হুদা,চন্দন দাস বিনামূল্যে চুক্ষ চিকিৎসা সেবায় সার্বিক সহাযোগিতা করেন। লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা লঙ্গন ভ্যালির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী বলেন, আপনারা এসেছেন আপনাদের প্রয়োজনে, আর আমি এসেছি আপনাদের প্রয়োজনে। লায়ন্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১০৭ বছর। এতো বছর ধরে মানব সেবার কাজে নিয়োজিত রয়েছে এ ক্লাবটি। তাদের একটিমাত্র উদ্দেশ্য তা হচ্ছে মানব কল্যাণে কাজ করা। আর মানব কল্যাণ মুলক কাজ করার জন্যে আমি এসেছি আপনাদের মাঝে।
উক্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃশাহ নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, আত্মমানবতা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে গরিব-দুঃখী, মেহনতী মানুষের পাশে থেকে সবার জন্যে কাজ করতে চাই, আর সেই জন্যে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আমাদের এই প্রচেষ্টা সারা উপজেলাব্যাপী অব্যাহত থাকবে।
বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধি সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী কর্মশালা এলাকার ইতিবাচক সারা ফেলে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এমন মানবিক আয়োজন অব্যাহত রাখার জন্য আহবান জানান।
খ,ম,জায়েদ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া









