ধর্মঘটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজ শনিবার আট ঘন্টা বন্ধ থাকার ঘটনায় সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি এ ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী চার কর্মচারীকে তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও নৌ টার্মিনালে বদলি করা হয়েছে।
আন্দোলনে থাকায় বদলি করা চট্টগ্রাম বন্দরের চার কর্মচারী হলেন- অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ), ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকন (১ম শ্রেণি, নৌ বিভাগ), উচ্চ হিসাব সহকারী মো. আনোয়ারুল আজিম (অর্থ ও হিসাব বিভাগ), এস এস খালাসী মো. ফরিদুর রহমান (প্রকৌশল বিভাগ)।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য প্রকৌশল কমোডর মো. মাযহারুল ইসলাম জুয়েলকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি শনিবার বন্দর পরিচালকের প্রশাসন শাখার এক আদেশে অনুমোদন পায়। কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বন্দরের চেয়ারম্যানের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তবে বদলি আদেশ পাওয়া আন্দোলনকারী নেতা ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘বিদেশীদের এনসিটি টার্মিনাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেব আমরা। বদলি করে কিংবা তদন্ত কমিটি করে ভয় লাগাতে পারবে না হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারীকে। রোববার যথাসময়ে শুরু হবে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি।
-সাইমুন’










