ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। অজিত পাওয়ারের চাচা ও এনসিপি (এসপি) প্রধান শারদ পাওয়ার জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) নিয়েছে। পাওয়ার পরিবারের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
এনসিপির প্রধান ও মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার গত বুধবার পুনের বারামতি বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত হন।
অজিত পাওয়ারের উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়া থেকে তাঁকে সরিয়ে রাখা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শারদ পাওয়ার জানিয়েছেন, ‘আমি জানি না’। প্রবীণ এই নেতার মন্তব্য থেকে রাজনীতি ও পরিবারের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
২০২৩ সালের জুলাই মাসে অজিত পাওয়ার তাঁর চাচার সঙ্গ ছেড়ে নিজের রাজনৈতিক পথ বেছে নেন। তার দল এনসিপি তখন বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয়। শারদ পাওয়ার নিজেকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা থেকে দূরে রেখেছেন এবং শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পর্কেও সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন।
এনসিপি (এসপি) নেতা অঙ্কুশ কাকাদে জানিয়েছেন, অজিত পাওয়ার চেয়েছিলেন ১২ ডিসেম্বর শারদ পাওয়ারের জন্মদিনে দলীয় পুনর্মিলন সম্ভব হোক। কিন্তু তখন তা সম্ভব হয়নি। অজিত পাওয়ার ওই সময় অনুরোধ করেছিলেন, প্রবীণ নেতারা মধ্যস্থতা করুন যাতে এনসিপির দুই পক্ষ আবার এক হতে পারে।
দুই দলের একীভূতকরণের বিষয়ে শারদ পাওয়ার বলেছেন, আলোচনার সময় অজিত পাওয়ার ও জয়ন্ত পাতিল উপস্থিত ছিলেন। এখন জয়ন্ত পাতিলই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
অজিত পাওয়ার বারামতিতে যাচ্ছিলেন ‘ভিএসআর ভেঞ্চারস’-এর মালিকানাধীন ছোট উড়োজাহাজে (লিয়ারজেট ৪৫)। দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা চলাকালীন উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের সঙ্গে ছিলেন পাইলট সুমিত কাপুর, সহ-পাইলট শম্ভবী পাঠক, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিদিপ যাদব এবং বিমানবালা পিংকি মালি। সবাই নিহত হন।
সূত্র: এনডিটিভি










