গাজা ও মিশরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রাফা সীমান্ত পারাপার এলাকা রবিবার থেকে পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার গাজার বেসামরিক নীতি সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইসরায়েলি সরকারি সংস্থা কোগাট এই তথ্য প্রকাশ করে। জানানো হয়, গাজা ও মিশরের মধ্যে মানুষের চলাচলের জন্য সীমান্তটি খুলে দেওয়া হবে।
তবে গাজার ২ কোটিরও বেশি মানুষের মধ্যে কতজন এই সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি কোগাট। এক বিবৃতিতে কোগাট জানায়, “মিশর থেকে গাজায় বাসিন্দাদের ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে।
“এই অনুমতি কেবল তাদের ক্ষেত্রেই কার্যকর হবে, যারা চলমান সংঘাতের সময় গাজা ত্যাগ করেছিলেন এবং মিশরের সঙ্গে সমন্বয় ও ইসরায়েলের পূর্বানুমোদিত নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার পরই তারা প্রবেশ করতে পারবেন।”
গাজার ২ কোটিরও বেশি মানুষের জন্য রাফা ক্রসিংই বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র স্থলপথ। ২০২৪ সালের মে মাসে গাজায় সংঘাত শুরুর প্রায় নয় মাস পর ইসরায়েলি বাহিনী এই সীমান্ত পথের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ফলে গাজার সাধারণ মানুষের চলাচল এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে রাফা ক্রসিং চালুর বিষয়টি অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। অক্টোবরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইসরায়েল শর্ত দিয়েছিল, গাজায় থাকা শেষ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত সীমান্ত খুলবে না। এই সপ্তাহে সেই মরদেহ উদ্ধার সম্পন্ন হওয়ার পর সীমান্তটি পুনরায় চালুর ঘোষণা দেওয়া হলো।
রবিবার থেকে সীমান্ত খুলে দেওয়া হলে তা গাজার মানবিক সংকট লাঘবে এবং আটকে থাকা ফিলিস্তিনিদের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।










