পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলার ডোমেল তেহসিলে পরিচালিত এক নিরাপত্তা অভিযানে একজন ‘কমান্ডার’সহ মোট পাঁচজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। তবে অভিযানের সময় তিনজন বেসামরিক নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে এবং আরও কয়েকজন আহত হন।
ডোমেল তেহসিলের স্পেরকা ও কোটকা আকবর আলী খান এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। তীব্র সংঘর্ষে অন্তত সাতজন সন্ত্রাসী আহত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের অবস্থান লক্ষ্য করে ২৫টির বেশি কোয়াডকপ্টার হামলা চালায় এবং পুরো সময়জুড়ে ব্যাপক গোলাগুলি চলে।
নিহত সন্ত্রাসী কমান্ডার কেছ জেওয়ারান ওরফে আল-বদরি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। অভিযানের পর পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও ধরতে ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন, যাদের মধ্যে দুইজন নারী। দুপুরে একটি বসতবাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, নিহতরা হলেন নঈমুল্লাহ, তার মা ও দাদি। এই ঘটনায় নঈমুল্লাহর ছেলে, স্ত্রী, বোন ও এক চাচাতো ভাই আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খলিফা গুল নওয়াজ হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ নোমান জানান, আহত চারজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন নারী ও দুইজন শিশু রয়েছে।
সূত্র জানায়, অভিযান শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় অবস্থান নেয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানটি তত্ত্বাবধান করেন বান্নুর আরপিও সাজ্জাদ খান, ডিপিও ইয়াসির আফ্রিদি এবং ১১৬ ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার উমাইর নিয়াজি। তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সরাসরি পুরো অভিযান পর্যবেক্ষণ করেন।
এর আগে একই এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই সন্ত্রাসী নিহত হয়। পাশাপাশি বান্নু জেলার গুলবাদিন লান্ডি ডাক এলাকায় সশস্ত্র হামলায় একটি শান্তি কমিটির চার সদস্য প্রাণ হারান। সূত্র: ডন
![m]](https://alokitoshodesh.com/wp-content/uploads/2026/01/m-1-696x392.png)









