মাদারীপুর জেলায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই দাপটের সঙ্গে চলছে ৫৭টি ইটভাটা। এসব ভাটায় কয়লার পরিবর্তে দেদারসে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে উজাড় হচ্ছে গাছপালা। এছাড়া ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে নেওয়ায় কমছে কৃষিজমি, যা দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে।
সরেজমিন অনুসন্ধান ও প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জেলায় ইটভাটার বর্তমান চিত্র:
মোট ইটভাটা: ৫৭টি
বৈধ ইটভাটা: মাত্র ১টি
অবৈধ ইটভাটা: ৫৬টি
সবচেয়ে বেশি ইটভাটা: সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে
৫ আগস্ট সরকার পতনের পর কয়েকটি ভাটা বন্ধ হলেও অধিকাংশ মালিক আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। হাতে গোনা কয়েকটি ভাটা, নবায়নের জন্য আবেদন করলেও বেশিরভাগ ভাটারই কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই।
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে তারা অতিষ্ঠ। পাঁচখোলা ইউনিয়নের বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন,
“একটি ইউনিয়নে এতগুলো ইটভাটা থাকায় কৃষিজমি বিলুপ্তির পথে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।”
মূল সমস্যাগুলো
অবৈধ স-মিল:
অনেক ভাটার ভেতরেই কাঠ কাটার জন্য বসানো হয়েছে অবৈধ স-মিল।
বন উজাড়:
বনের কাঠ পুড়িয়ে ইট প্রস্তুত করায় জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।
হাবিবুর রহমান সুমন,মাদারীপুর জেলা










