বিগত সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলের শীর্ষ নেতারা নতুন করে পুরনো মিথ্যা ও প্রতারণামূলক দুর্নীতির বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বয়ান প্রচারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। অথচ এটি আজ জাতীয়ভাবে প্রমাণিত যে, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় আসার পর দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে।
বুধবার বিকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি যখন সরকার গঠন করে তখন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সূচকে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের স্কোর ছিল শূন্য দশমিক চার, যা ১৯৬৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের দুর্নীতির প্রতিফলন। পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির প্রতি বিএনপির জিরো টলারেন্স পলিসি এবং সুশাসনের ফলে ধারাবাহিকভাবে তা উন্নতির দিকে যেতে থাকে। সর্বশেষ বিএনপি ২০০৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে চলে যাওয়ার সময় সেই স্কোর ধারাবাহিকভাবে বেড়ে দুইয়ে উন্নীত হয়।
তিনি আরও বলেন, যে রাজনৈতিক দলটি ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছে, এমনকি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করেছে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বয়ান, এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার।
জামায়াত ইসলামীকে উদ্দেশ করে মাহদী আমিন বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ওই দলটি নিজেই সরকারের অংশ ছিল। এখানে তাদের দু’জন মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ছিলেন। সরকারে থাকা অবস্থায় তখন এ বিষয়ে (দুর্নীতি) তাদের কোনও মন্তব্য শোনা যায়নি কিন্তু বর্তমানে তারা নির্বাচনী মাঠে এসে ফ্যাসিবাদী প্রোপাগান্ডার সে ধারাবাহিকতাকে ধরে রেখেছে।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভোটারদের বিভিন্ন প্রলোভন দেওয়াসহ নির্বাচনী আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয় বিএনপির পক্ষ থেকে।
-মেহেরীন//










