এনসিপির আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই’‘জামায়াতের সঙ্গে মিশে যাওয়া ছাড়া

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগরের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সমন্বয়কারী ও বান্দরবান জেলার সদস্যসচিব মোহাম্মদ এরফানুল হক দলটির সব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

সোমবার বিকালে বান্দরবান প্রেস ক্লাবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে যাওয়া ছাড়া এনসিপির আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ এরফানুল হক দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি যোগ্য না হতে পারি, কিন্তু বান্দরবানের সব মানুষ অযোগ্য নয়। আমাদের এখানে বহু তরুণ নেতৃত্ব আছে, আমরা তাদের তুলে আনতে চাই।

জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জরুরি উল্লেখ করে তিনি করেন, কেন্দ্র বিষয়টি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। ঢাকা থেকে প্রেসক্রাইব করে বহিরাগত মানুষ দিয়ে ভোট করানোকে তিনি পাহাড়ের সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রহসন বলে আখ্যায়িত করেন।

মোহাম্মদ এরফানুল হক আরও বলেন, ৫ আগস্টের চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়ে সারা দেশে এনসিপির অবস্থা ভালো নয়। তাদের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে যাওয়া ছাড়া আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই। বান্দরবান ৩০০নং আসনে নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে এনসিপি প্রহসন করছে। আগে কোনো নির্বাচনে বান্দরবানে বহিরাগত প্রার্থী দেওয়া হয়নি, কিন্তু এবারে এনসিপি সেই উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে আসবেন। অন্য এলাকার একজন জনগণের সুখ-দুঃখ ও ব্যথা-বেদনা উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন না। এনসিপি বান্দরবানের মানুষের আত্মসম্মানে আঘাত করেছে। এই অসম্মানের জবাব মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেবে।

এরফানুল হক বিএনপির প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরীকে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্যও ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

_সাইমুন