ঢাকার ধামরাইয়ে বেড়াতে এসে এক গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধারালো অস্ত্রের মুখে তার স্বামীকে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে রাতভর ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে ধর্ষণকারীরা গৃহবধূর সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালংকারও ছিনিয়ে নেয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের রামরাবন গ্রামের শান্তি রানী মনিদাসীর বাড়িতে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।
ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মানিকগঞ্জের বাসিন্দা ওই গৃহবধূ তার স্বামীর সঙ্গে ধামরাইয়ের বালিয়াটি প্রাসাদ ঘুরতে আসেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন তাদের পরিচিত নিরাপত্তা কর্মী কৃষ্ণচন্দ্র মনিদাস। ঘোরাঘুরি শেষে সন্ধ্যায় তারা কৃষ্ণচন্দ্রের বাড়িতে বেড়াতে যান।
রাতে তাদের কৃষ্ণচন্দ্রের বোন শান্তি রানী দাসের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত ১২টার দিকে পাঁচ-সাতজন যুবক চাপাতি ও রামদা নিয়ে সেই বাড়িতে হানা দেয়। তারা স্বামীকে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তার সামনেই স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ করে।
বিচারের বদলে মারধর
পরদিন, শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী দম্পতি স্থানীয় ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চাইতে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সজীব চন্দ্র মনি দাস নামে এক যুবক ও তার সহযোগীরা ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামীকে লাঠিপেটা করে গ্রাম থেকে বের করে দেয় বলে জানান এলাকাবাসী।
পুলিশের বক্তব্য
এ বিষয়ে ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হারাধন সরকার বলেন, “আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, কিন্তু ভুক্তভোগী বা অভিযুক্ত কাউকেই সেখানে খুঁজে পাইনি। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
ইউপি সদস্য মন্টু চন্দ্র মনি দাসও জানান, তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাননি এবং ধর্ষকদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মোঃ আশফুল আলম | উপ-সম্পাদক
সূত্রঃ যুগান্তর










