ষাট গম্বুজ ও বাগেরহাট জাদুঘরে ই-টিকিটিং চালু, কমবে ভোগান্তি

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ প্রত্নস্থল ও বাগেরহাট জাদুঘরে দর্শনার্থীদের জন্য চালু হলো এটুআই-এর ‘মাইগভ ই-টিকিটিং’ সেবা। এর ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের আর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটতে হবে না। প্রবেশ প্রক্রিয়াও হবে অনেক দ্রুত ও সহজ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজ মোবাইল ফোনে অনলাইনে টিকিট কেটে এবং কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “এই উদ্যোগ নাগরিকবান্ধব ডিজিটাল সেবাকে আরও এগিয়ে নেবে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াবে। নতুন বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে এটি একটি বাস্তব ও দৃশ্যমান অগ্রগতি।”

উদ্বোধন শেষে তিনি ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদের বিভিন্ন স্থাপত্য শৈলী এবং বাগেরহাট জাদুঘর ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলমসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লালবাগ দুর্গের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
এর আগে, গত বছরের ৩০ জুন রাজধানীর লালবাগ দুর্গে মাইগভ ই-টিকিটিং সেবা চালু করা হয়। গত ছয় মাসে সেখানে ৩ লাখের বেশি দর্শনার্থী এই সেবার মাধ্যমে প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেছেন, যার ফলে সরকারের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই সফলতার ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন আরও ২৮টি পর্যটন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাকে মাইগভ ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


মোঃ আশরাফুল আলম | উপ-সম্পাদক