জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে বেড়েছে প্রার্থীর সংখ্যা। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৪ জন। এর ফলে জেলার দুটি আসনে বর্তমানে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ জনে। এর মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে ৭ জন এবং জয়পুরহাট-২ আসনে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আল-মামুন মিয়া দুটি আসনের ১১ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেন।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন– বিএনপির দলীয় প্রার্থী মো. মাসুদ রানা প্রধান, জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান সাঈদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) তৌফিকা দেওয়ান, বাসদের ওয়াজেদ পারভেজ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আনোয়ার হোসেন, এবি পার্টির সুলতান মো. শামছুজ্জামান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার।
অন্যদিকে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন– বিএনপির দলীয় প্রার্থী আব্দুল বারী, জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম, এবি পার্টির এস এ জাহিদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মোস্তফা।
জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মাহমুদ হাসান বলেন, এই জেলার দুটি সংসদীয় আসনে ১৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে ৭ জনের প্রার্থিতা বৈধ হয় এবং কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বাতিল হওয়া ৭ জনের মধ্যে ৫ জন নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন। আপিলে ৪ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন এবং অন্য একজনের আপিল কমিশন নামঞ্জুর করেছে।
-জয়নাল আবেদীন জয়
জয়পুরহাট










