‘অন্তরঙ্গ দৃশ্য’—এই দুই শব্দই সিনেমা জগতে আলোচনার জন্য যথেষ্ট। কখনো সেন্সর বোর্ডের আপত্তি, কখনো আবার মুক্তির পর দর্শকের পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল বিতর্ক—ঘনিষ্ঠ দৃশ্য বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। শুটিং চলাকালে অস্বস্তি, সীমা লঙ্ঘন কিংবা সহ-অভিনেতার বাড়াবাড়ি নিয়ে বহু অভিনেত্রী আগেও অভিযোগ তুলেছেন। মিটু আন্দোলনের পর পশ্চিমা সিনেমায় এ ধরনের দৃশ্যের শুটিংয়ে ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘হাঙ্গার গেমস’-এ সহ-অভিনেতা জশ হাচারসনের সঙ্গে যদি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য করতে হতো, সেটি অনেক বেশি অদ্ভুত লাগত।
এবার এই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। সম্প্রতি ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টে তিনি বলেন, নগ্ন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যে পরিচিত বন্ধুর চেয়ে অচেনা অভিনেতার সঙ্গে কাজ করাই তার কাছে তুলনামূলক সহজ। কারণ, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে এ ধরনের দৃশ্য করতে গেলে পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।
নিজের সাম্প্রতিক সিনেমা ‘ডাই মাই লাভ’-এর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লরেন্স বলেন, সহ-অভিনেতা রবার্ট প্যাটিনসনকে তিনি আগে চিনতেন না, ফলে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করাটা সহজ ছিল। তাঁর ভাষায়, “আমরা একে অপরকে আগে জানতাম না, তাই বিষয়টা অনেক স্বাভাবিক ছিল।”
চমকপ্রদ তথ্য হলো, ‘ডাই মাই লাভ’-এর প্রথম শুটিং দিনেই লরেন্স ও প্যাটিনসন একটি নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করেন। যদিও ছবিতে ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর ছিলেন, তবু লরেন্স জানান, সেটে তিনি নিজেকে পুরোপুরি নিরাপদ ও স্বস্তিতে অনুভব করেছিলেন।
গর্ভাবস্থায় এই ছবির শুটিং করলেও নগ্নতা নিয়ে তাঁর কোনো অস্বস্তি ছিল না বলে জানান লরেন্স। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “আমি নগ্নতা নিয়ে কখনোই অস্বস্তিতে ভুগি না।
বিথী রানী মণ্ডল/










