সরকারি দপ্তরগুলোর জন্য যানবাহন কেনার নতুন মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ডলারের দাম ও বাজারদর সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির যানবাহনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ শওকত উল্লাহ স্বাক্ষরিত নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের ব্যবহারের জন্য প্রতিটি প্রাইভেটকারের মূল্যসীমা ৪৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৬ লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া বড় নন-এসি বাসের দাম ৪৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৮ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং এসি মিনিবাসের দাম ৭৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৮০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মাইক্রোবাসের দাম আগের মতোই ৫২ লাখ টাকা বহাল রয়েছে।
শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের (গ্রেড-১ ও ২) জন্য ব্যবহৃত অনূর্ধ্ব ২৭০০ সিসির জিপ গাড়ির মূল্যসীমা গত অক্টোবর মাসে বাড়িয়ে ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা করা হয়েছিল, যা এই তালিকায় বহাল রয়েছে। তবে গ্রেড-৩ ও তার নিচের পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ির দাম আগের মতোই ৬৫ লাখ টাকা রাখা হয়েছে।
পরিবহন ও মালামাল আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত ট্রাকের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। ৫ টনের ট্রাকের মূল্যসীমা ৮ লাখ টাকা বাড়িয়ে ৪৭ লাখ এবং ৩ টনের ট্রাকের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকা বাড়িয়ে ৪২ লাখ টাকা করা হয়েছে। সরকারি দপ্তরে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের (১২৫ সিসি) দাম ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা করা হয়েছে।
সিঙ্গেল কেবিন পিকআপের দাম ৩৮ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৫২ লাখ টাকা হলেও ডাবল কেবিন পিকআপের দাম এবার বাড়ানো হয়নি। গত মার্চ মাসেই ডাবল কেবিন পিকআপের দাম ৫৬ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৮৬ লাখ টাকা করা হয়েছিল।
অর্থ বিভাগ জানায়, বাজার পরিস্থিতি এবং যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এই মূল্যসীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে সরকারি সকল দপ্তরকে এই নির্ধারিত ঊর্ধ্বসীমার মধ্যে থেকেই নতুন যানবাহন ক্রয় করতে হবে।