মৃদ শৈতপ্রবাহে কাঁপছে পঞ্চগড়বাসী

পৌষ মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসেও সারা দেশের মতো উত্তরের জেলা পঞ্চগড়েও বেড়েছে শীতের তীব্রতা। পঞ্চগড়ের খুব কাছে হিমালয়ের অবস্থান। একারণে হিমালয়ের হিমশীতল বাতাসে জেলাজুড়ে বিরাজ করছে শৈত প্রবাহ। সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার ঢাকা থাকছে জেলার চারপাশ।

শুক্রবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা এখন মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ঘরে। জানুয়ারির মাঝামাঝি তাপমাত্রা আরও কমে মাঝারি শৈতপ্রবাহে দেখা দিতে পারে বলে তিনি জানান।

শৈতপ্রবাহের কারণে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় রীতিমত কাবু হয়ে পড়েছেন পঞ্চগড়ের বাসিন্দারা। এতে সকবেলা কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষরা খুব বেশি সমস্যায় ভুগছেন। অনেকেই গায়ে অতিরিক্ত কাপড় জড়িয়েও কাজ করতে হিমসিম খাচ্ছেন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের ওপর বেশি প্রভাব পড়েছে। কমে গেছে দিনের কর্মঘণ্টা।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরেরে পক্ষ থেকে এই শীতে শীতার্তদের  ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই অর্থ থেকে ৮ হাজার ৬৪০টি কম্বল কিনে ৫ উপজেলার ৪৩ ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে। আরও ৬৫ হাজার কম্বলের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

সানা