চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ আমদানি–নিয়ন্ত্রিত সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাতে দুবাই থেকে আসা একাধিক যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে এসব সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস সূত্র জানায়, রাত পৌনে ১০টার দিকে বিমানবন্দরের আগমন টার্মিনালে নিয়মিত তল্লাশির সময় সন্দেহভাজন কয়েকটি ব্যাগ পরীক্ষা করা হয়। এ সময় দুবাই থেকে আসা যাত্রী মিনহাজুল করিমের ব্যাগেজ থেকে ২০০ কার্টন এবং আরেক যাত্রী মিনহাজুল ইসলামের ব্যাগেজ থেকে ৩৫০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। এ ছাড়া টার্মিনালের একটি স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ৬৯০ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়।
সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া ১ হাজার ৩৪০ কার্টনে প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার শলাকা সিগারেট রয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস। জব্দ করা সিগারেটগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ব্যাগেজ রুল অনুযায়ী একজন যাত্রী শুল্ক ও কর ছাড়াই সর্বোচ্চ এক কার্টন সিগারেট সঙ্গে আনতে পারেন। এর বেশি পরিমাণ বহনের কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি আমদানিনীতি আদেশ অনুসারে সিগারেট শর্তযুক্ত আমদানি পণ্যের তালিকাভুক্ত। এ ধরনের পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্যাকেটের গায়ে অবশ্যই বাংলায় ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ সতর্কবার্তা উল্লেখ থাকতে হয়। জব্দ করা সিগারেটগুলোর ক্ষেত্রে এসব বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, উদ্ধার করা সিগারেটের পুরো চালান বর্তমানে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের গুদামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য আনার চেষ্টা রোধে বিমানবন্দরে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
সাবরিনা রিমি/










