ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করার পর জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
বুধবার র নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
তারই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে সোমবার নীতিমালা জারি করে সরকার। এ বিষয়ে এক সাংবাদিক জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের অস্ত্র দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো আলোচনা হয়নি।
তবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিরাপত্তার বিষয়টা বিবেচনা করে যেটা ভালো মনে করেছেন, করেছেন এবং নিশ্চয়ই সবাই একমত যে নিরাপত্তার বিষয়টা প্রাধান্য পাক। প্রয়োজনে নির্বাচন আচরণবিধি সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। “এর সঙ্গে আচরণ বিধির আপাতত কোনো বিরোধ নেই। যদি মনে হয়, ওভার দ্যা পিরিয়ড অব টাইম, আচরণবিধি এখানে কোনো জায়গার সামান্য সংশোধন বা সংযোজন বা বিয়োজন বা অ্যডজাস্টমেন্ট লাগবে, তখন দেখা যাবে।
এ ধরনের প্রটোকল দিয়ে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব কিনা জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, “মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে প্রশ্নটা করলে বোধহয় আমার জন্য ভালো হয়। এ ব্যাপারে কোনো কথা হয়নি বা উনাদের থেকেও…কাজেই আমি এর ব্যাখ্যাটা দিতে গেলে অপব্যাখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যেটা আমি করতে চাই না। নিরাপত্তার বিষয়ে সবারই চেষ্টা করা উচিত।” ভোটের আগে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, “এটা সময়ের ব্যাপার। এগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আসবে, বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়ার বিষয়টা যখন প্রাসঙ্গিক হবে, তখন যদি মনে করা হয় যে নিরাপত্তার বিষয়টা বিবেচনা নিবেন, সে অনুযায়ী এটা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মামুন










