প্রেস সচিব বলেন, ‘আমরা এখন নির্বাচনের মোডে আছি। তফসিল ঘোষণার পর যদি কেউ দাবি-দাওয়া বা আন্দোলনের নামে রাস্তায় নামে, তবে পুরো বিষয়টি খুব কঠোরভাবে দমন করা হবে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থেই আমরা এমন প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
অপ্রয়োজনীয় ইস্যুতে আন্দোলনের চেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আগেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যারা অহেতুক আন্দোলন বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে সন্তোষজনক উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, ‘গত ছয় মাস বা এক বছরের পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। নির্বাচনের জন্য আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং সাড়ে তিন লাখ আনসার সদস্যের প্রশিক্ষণ শেষ পর্যায়ে। বডি ক্যামেরা ও সিসিটিভি পরিচালনার ওপরও তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’
সরকারের ধৈর্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৬ মাসে প্রায় দুই হাজার আন্দোলন হয়েছে। সরকার অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সেসব মোকাবিলা করেছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। প্রধান উপদেষ্টার লক্ষ্য হলো জাতিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া।’
ম/ম










