পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ বাজারের প্রধানাবাদ মসজিদপাড়া এলাকার এক ব্যাংক কর্মকর্তার বাসায় প্রবেশ করে সন্ত্রাসী হামলা করা হয়েছে।
ইদ্রীস খানের নেতৃত্বে তার ভাই ইসমাইল হোসেন ভাগনেরাসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী হামলায় অংশ নেন। ২৪ ফেব্রুয়ারী রাতে তারা বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে বাড়িতে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে তারা বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় বাড়িতে আবুল কাশেমের স্ত্রী ছিল। বৃদ্ধ বাবা জয়নাল আবেদীন এ সময় মসজিদে তারাবির নামাজে ছিল।ইসলামী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখায় কর্মরত আবুল কাশেমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে স্বর্নালংকারসহ নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়।জয়নাল আবেদীন নামের বৃদ্ধ জানান, মসজিদ থেকে বাড়িতে এসে শুনি ইদ্রীস খান তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সীমানা প্রাচীর ভেঙে বাড়িতে ঢুকে লুটপাট করেছে।
আবুল কাশেমের স্ত্রী আমেনা খাতুন জানান, আমাদের সীমানার মধ্যে আমাদের বাড়ির ওয়াল। সে সীমানা প্রাচীর ভেঙে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এসময় আমরা ভীতস্তম্ভ হয়ে পড়ি। পরে তারা ড্রেসিং টেবিলের ডয়ার ভেঙে স্বর্নালংকার আর নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে আমার স্বামীকে মোবাইলে ঘটনা বলি । ১০ মিনিটের মধ্যেই তারা সীমানা প্রাচীর ভেঙে লুটপাট করে চলে যায়। লুটপাট করার সময় তাদের হাতে বড় বড় ধারালো অস্ত্র ছিল।
আবুল কাশেম জানান, ইদ্রীস খান আমার জমিটি দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই সুযোগ খুজছিল। রমজান মাসে আমার বাবা মসজিদে থাকার কারনে আর আমি পঞ্চগড়ে কর্মস্থলে থাকার কারনে তারা এ সুযোগটি কাজে লাগায়। আমার ঘরের ড্রেসিং টেবিলের ডয়ার ভেঙে স্বর্নালংকার আর নগদ টাকা নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা হবে।ইদ্রীস খান এলাকায় থাকেন না। তিনি ময়মনসিংহ স্থায়ী ভাবে বসবাস করেন। মাঝে মাঝে এলাকায় এসে কয়েকদিন থেকে চলে যান।
আবুল কাশেম আরও জানান, শোনা যাচ্ছে এবার নাকি ইদ্রীস খান জমি দখল করার জন্যই এলাকায় আসছেন। আমার বাড়িতে হামলা করে তিনি প্রমান করলেন যে, জমি দখল আর লুটপাট করার জন্যই আসছেন। তিনি জানান, ইদ্রীস খান নিঃস্ব থেকে কোটিপতি বনে গেছেন। তার আয়ের পুরোটাই অবৈধ ভাবে উপার্জিত।তার অবৈধ টাকার জোরে আমরা অসহায় ভাবে রয়েছি।
এঘটনার পরে আবুল কাশেম দেবীগঞ্জ থানায় অভিযোগ জানালে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ রাত আনুমানিক ১০ টার সময় ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে হামলা ও লুটপাট করার সত্যতা পান।
–আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, পঞ্চগড়










