রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও এর ফলে সৃষ্ট যানজটের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, অটোরিকশা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে কি না নাকি নিয়ন্ত্রণের আওতায় এনে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়া হবে-তা নির্ধারণে সিটি করপোরেশন, ট্রাফিক বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, খাল পুনঃখনন এবং সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ১৮০ দিনের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। মহাসড়কে বাজার বসানো, এলোমেলো পার্কিং ও ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে যানজট বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্ট্রিট পার্কিংয়ের নামে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ইজারা দেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে বাতিল করা হবে।
পদ্মা সেতুর টোল আদায় নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিয়মিত টোল সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সেতুর কিস্তি পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। এ খাতে কোনো বকেয়া নেই।
আসন্ন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বের সফল ব্যবস্থাপনাকে অনুসরণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অতিরিক্ত কিছু পদক্ষেপ যুক্ত করার বিষয়ে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মেট্রোরেলের কাজ আবার শুরু হয়েছে এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বিআরটি প্রকল্প প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রাথমিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এতে বড় অঙ্কের অর্থব্যয় ও ঋণ সংশ্লিষ্ট বিষয় থাকায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি পর্যালোচনায় রয়েছে।
দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থের বিষয়েই সরকার অগ্রাধিকার দেবে। কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠনকে প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
-বেলাল










