প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইলেন চীনা রাষ্ট্রদূত

নতুন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের আনুষ্ঠানিক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চীনা দূতাবাস থেকে এ সংক্রান্ত একটি কূটনৈতিক পত্র (নোট ভারবাল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
সূত্রমতে, চীনের রাষ্ট্রদূত কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই নন, বরং নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গেও আলাদাভাবে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার আগেই ইয়াও ওয়েন অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এখন সরকার গঠন সম্পন্ন হওয়ায় তিনি আনুষ্ঠানিক আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন রোডম্যাপ নিয়ে কথা বলতে চান।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৭ ফেরুয়ারি) তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিশ্বনেতাদের মধ্যে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সর্বপ্রথম তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠান। একই সময়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পশ্চিমা বিশ্বের পাশাপাশি বেইজিংয়ের এই তড়িৎ প্রতিক্রিয়া এবং দ্রুত সাক্ষাতের আগ্রহ বাংলাদেশের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এই সৌজন্য সাক্ষাতে চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো বিষয়গুলো এই আলোচনায় স্থান পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লামিয়া আক্তার