দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। এক বিবৃতিতে তিনি নতুন নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করা জরুরি।
এক পত্রে তিনি বলেন, ‘বহু চড়াই-উতরাই, ত্যাগ ও নির্যাতন অতিক্রম করে বিজয় অর্জনের পাশাপাশি যে দেশ আমরা রক্ত দিয়ে পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থেকে মুক্ত করেছি, সেই দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় আমি, আমার দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই।’
তিনি আরও বলেন, সম্মান দেওয়া ও নেওয়া, ক্ষমতা দেওয়া ও নেওয়া—সবই আল্লাহর হাতে। তিনি তারেক রহমানকে ক্ষমতা দিয়েছেন ও সম্মানিত করেছেন। কাদের সিদ্দিকী আশা প্রকাশ করেন, আল্লাহর মেহেরবানীতে জনগণের প্রত্যাশা তারেক রহমানের নেতৃত্বে পূরণ হবে এবং সমগ্র জাতি তার মাধ্যমে মঙ্গল লাভ করবে।
কাদের সিদ্দিকী তাঁর বার্তায় বলেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর সামনে রয়েছে কঠিন দায়িত্ব—অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা, প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনা এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়টি সবসময়ই সংবেদনশীল। এ সময় প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং সংলাপ ও সমঝোতার রাজনীতি প্রয়োজন। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে বিরোধী মতকে সম্মান করার আহ্বানও জানান তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাদের সিদ্দিকীর এই অভিনন্দন বার্তা কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা নয়; এর মধ্যে রয়েছে একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় ঐক্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে রাজনীতির পক্ষে কথা বলে আসছেন। নতুন সরকারকে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরামর্শই মূলত তুলে ধরেছেন।
-মামুন










