যুদ্ধবিরতির পরও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার ‘গভীরে’ ভূখণ্ড দখলে রেখেছে: কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

একাধিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের ভেতরে গভীরভাবে অবস্থান করে আছে বলে অভিযোগ করেছেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে সফরকালে তিনি বলেন, অনেক এলাকায় থাই বাহিনী এখনো কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে রয়েছে, যা থাইল্যান্ডের একতরফা দাবির সীমারও বাইরে। খবর আলজাজিরা।

তবে থাইল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে এ অভিযোগের জবাব দেয়নি। এর আগে থাই সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, তাদের অভিযান নিজস্ব ভূখণ্ড পুনর্দখলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। হুন মানেতের দাবি, থাই সেনারা আগে কম্বোডিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত কিছু এলাকায় মালবাহী কনটেইনার ও কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করেছে। এর ফলে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারছে না।

গত বছরের দীর্ঘস্থায়ী সীমান্ত সংঘাতে বহু মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়। প্রাচীন খেমার মন্দিরগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুই দেশে জাতীয়তাবাদী উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তিনি বলেন, দুই দেশের যৌথ সীমান্ত কমিশনের মাধ্যমে সীমান্ত চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা উচিত। থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল ও তাঁর ভুমজাইথাই পার্টির বিজয়ের পর এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি বোর্ড উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখতে পারে।

গত অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। তবে কয়েক সপ্তাহ পর আবার সংঘর্ষ শুরু হয়। চলতি বছরের শুরু থেকে চীনের উদ্যোগে হওয়া নতুন সমঝোতা তুলনামূলকভাবে কার্যকর রয়েছে।

-বেলাল