চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে এরই মধ্যে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা করবে না তারা।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা আলী শামখানি বলেছেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিকের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কোনোভাবেই আলোচনাযোগ্য নয়।’
বুধবার ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গত সপ্তাহে ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনীতিকদের মধ্যে পরোক্ষ বৈঠক হয়েছে। একই সময়ে ইরানকে লক্ষ্য করে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নৌবাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। পাশাপাশি তারা চায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিও আলোচনার আওতায় আসুক।
তবে তেহরান বরাবরই বলছে, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলতে প্রস্তুত। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা ইস্যু আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না।
এদিকে চুক্তি না হলে ইরানের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাল্টা জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে তেহরান। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ট্রাম্প বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। ইরানকে ইসরায়েলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা হয়।
মঙ্গলবার বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আবারও সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, ইরান চুক্তি চায় বলে তার বিশ্বাস। তবে তারা অস্বীকৃতি জানালে ‘খুব কঠোর কিছু’ করবেন তিনি।
-সাইমুন










