পশ্চিম তীরে নিয়ন্ত্রণ দখল স্থায়ী করতে যাচ্ছে ইসরায়েল

দখলকৃত পশ্চিম তীরে নিয়ন্ত্রণ ধাপে ধাপে স্থায়ী করতে যাচ্ছে ইসরায়েল। নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থাগুলো সে উদ্দেশ্যেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এলাকাটিতে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আর থাকবে না।

মঙ্গলবার এমন তথ্যই জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন।

তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে সম্প্রতি যে নতুন প্রশাসনিক ক্ষমতা ও বিধান কার্যকর করা হয়েছে, তার উদ্দেশ্য বাস্তবিক অর্থে সেখানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌমত্ব জোরদার করা।

এলি কোহেনের ভাষায়, এসব পদক্ষেপ এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করছে, যার ফলে ভবিষ্যতে সেখানে কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ আর থাকবে না।

ইসরায়েলের এই ঘোষণার পর পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘসহ বিশ্বের বহু দেশ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো নতুন সিদ্ধান্তগুলোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

তাদের মতে, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য দখলকৃত পশ্চিম তীরকে কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করা বা সেখানে ইসরায়েলের দখল স্থায়ী করা। পশ্চিম তীরে বর্তমানে প্রায় ৩৪ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছেন। তারা ভবিষ্যতে এ অঞ্চলকে নিজেদের রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান।

সম্প্রতি ইসরায়েলের সিকিউরিটি ক্যাবিনেটে অনুমোদন হওয়া নতুন সিদ্ধান্তে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনের সুযোগ আরও বাড়ছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা কিছু এলাকাতেও ইসরায়েলের প্রশাসনিক ক্ষমতা সম্প্রসারণের পথ তৈরি হচ্ছে। এছাড়া সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পথও বন্ধ হচ্ছে।

জাতিসংঘ বলছে, দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী ও অবৈধ।

-সাইমুন