হাসান মাহমুদ রিপন
আর মাত্র এক দিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোটের মহাযজ্ঞ। এই দ্বৈত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে এখন উৎসবমুখর ও টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, এবারের নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের লড়াই নয়, বরং পরিসংখ্যানের দিক থেকেও এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচন নানা কারণেই ঐতিহাসিক। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, দেশ দেখছে সর্বোচ্চ ভোটার ও বৈচিত্র্যময় প্রার্থীর অংশগ্রহণ। প্রথমবারের মতো ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে এবং যুক্ত হয়েছে প্রবাসীদের ভোটাধিকার।
ইসির প্রকাশিত আসনভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভোটার বিন্যাসে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়— একদিকে যেমন গাজীপুরের একটি আসনে ভোটারের জোয়ার, অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলের ঝালকাঠিতে ভোটারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম। এছাড়া প্রার্থীদের লড়াইয়ের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে ব্যাপক ব্যবধান; রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ঢাকা-১২ আসনে যেখানে প্রার্থীদের ভিড়, সেখানে পিরোজপুর-১ আসনে লড়াই হচ্ছে একেবারে দ্বিমুখী।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। সারাদেশে ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। লিঙ্গভিত্তিক বিভাজনে দেখা যায়: পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার, তৃতীয় লীঙ্গ (হিজড়া) ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। ইতোমধ্যেই যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে নির্বাচনে আসন সমঝোতা করেছে বিএনপি। যে আসনগুলোতে ধানের শীষের প্রার্থী নেই সেগুলোতে সমঝোতার ভিত্তিতে শরিকদের প্রার্থী রাখা হয়েছে। আবার অনেক আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০টি দল নির্বাচনী ঐক্য গড়েছে। যেসব আসনে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী নেই সেখানে নির্বাচনী ঐক্যে থাকা শরিক দলের প্রার্থী আছে। এমন বাস্তবতায় পরিস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখছে নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা ও বিশ্লেষক জেসমিন টুলী বলেন, দীর্ঘদিন পরে এমন একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের পর স্বাভাবিকভাবে ভোটে জয় পরাজয় নিয়ে প্রার্থী ও সমর্থকদের আগ্রহ থাকবে বেশি। কিন্তু গণভোটের কারণে ভোটের ফল হতে সময় লাগলে এটি নিয়েও এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হতে পারে কমিশনকে। আবার এই নির্বাচনে যেহেতু আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না সেক্ষেত্রে নির্বাচনকে প্রতিহত করতে দলটির কর্মী সমর্থকদের প্রচেষ্টা করতে পারে এমন শঙ্কার কথাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।
এছাড়া নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘একই দিনে দুটি নির্বাচন করছে সরকার। বিষয়টি নিঃসন্দেহে চ্যালেঞ্জিং এবং মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতির দাবি রাখে। তবে সঠিক পরিকল্পনা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এই দ্বৈত নির্বাচন অনুষ্ঠান করা অসম্ভব নয়। ’
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটার ঘনত্বের বিচারে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চল গাজীপুর দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ৩০০ আসনের মধ্যে ভোটার সংখ্যায় শীর্ষ তিনটির দুটিই গাজীপুরে।
গাজীপুর-২ (সর্বোচ্চ ভোটার): এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। এটি দেশের বৃহত্তম সংসদীয় আসন। এখানে পুরুষ ভোটার ৪ লাখ ৪০২ জন এবং নারী ভোটার ৪ লাখ ৩ হাজার ৯১৮ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১৩ জন। শিল্প এলাকা হওয়ায় এখানে ভাসমান ও স্থায়ী শ্রমজীবী মানুষের আধিক্য এই বিশাল ভোটার সংখ্যার প্রধান কারণ।
ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া): ভোটার সংখ্যার দিক থেকে এটি দ্বিতীয় অবস্থানে। এখানে মোট ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন। এই আসনে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা (৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯০৬) নারী ভোটারের (৩ লাখ ৬৭ হাজার) চেয়ে বেশি।
গাজীপুর-১: এই আসনে মোট ভোটার ৭ লাখ ২০ হাজার ৯৩৯ জন। এখানেও লিঙ্গীয় অনুপাত প্রায় সমান।
এছাড়াও নোয়াখালী-৪ আসনে ৭ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে। সাতটি আসন—ময়মনসিংহ-৪, সিলেট-১, কুমিল্লা-৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩, ঢাকা-১৮, যশোর-৩ এবং কুড়িগ্রাম-২— এ ৬ লাখের বেশি ভোটার রয়েছে। মোট ৫২টি আসনে ভোটার ৫ লাখের বেশি এবং ১১৩টি আসনে ৪ লাখের বেশি।
অপরদিকে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভোটার সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম দেখা গেছে। ভৌগোলিক পরিবেশ এবং মানুষের অভিবাসন প্রবণতা এই স্বল্প ভোটার সংখ্যার পেছনে কাজ করতে পাওে বলে মনে করেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
ঝালকাঠি-১ (সর্বনিম্ন ভোটার): রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। এটি সারা দেশের মধ্যে ক্ষুদ্রতম ভোটার এলাকা। যশোর-৬: ২ লাখ ২৮ হাজার ভোটার নিয়ে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে। পিরোজপুর-৩: ২ লাখ ৪১ হাজার ভোটার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এই আসনটি। খুলনা-৩ ও চট্টগ্রাম-৩: যথাক্রমে ২ লাখ ৫৪ হাজার এবং ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটার নিয়ে তালিকার নিচের দিকে অবস্থান করছে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, রাজধানীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত আসন ঢাকা-৮-এ ভোটার সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ৭৫ হাজার, যা দেশের অনেক প্রান্তিক আসনের চেয়েও কম।
এদিকে ভোটের লড়াই শুধু ভোটারের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, বরং প্রার্থীর সংখ্যার ওপরও নির্ভর করে লড়াইয়ের তীব্রতা। এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন এবং নারী প্রার্থী ৭৬ জন।
সবচেয়ে বেশি প্রার্থী (ঢাকা-১২): রাজধানীর তেজগাঁও ও ফার্মগেট এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১২ আসনে এবার প্রার্থীর ভিড় সবচেয়ে বেশি। এখানে মোট ১৪ জন প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছেন। এই আসনটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় হেভিওয়েট প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সবচেয়ে কম প্রার্থী (পিরোজপুর-১): দেশের মধ্যে সবচেয়ে শান্ত নির্বাচন হতে যাচ্ছে পিরোজপুর-১ আসনে। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাত্র ২ জন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, এখানে মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ। প্রথমবারের মতো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রায় ৭ লাখ ৭২ হাজার প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন এবং কমিশন তাদের কাছে ব্যালট পেপার পাঠানোর কাজও শেষ করেছে। এই বিশাল সংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলায় পরিণত করেছে।
ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়াকে নাগরিক জীবনের এক স্মরণীয় মুহূর্ত বলে অভিহিত করে দুবাই প্রবাসী মো. মাছুম বিল্লাহ বিষয়টিকে কেবল ভোট দেওয়ার সুযোগ হিসেবেই দেখছেন না, বরং এটিকে প্রবাসীদের প্রতি রাষ্ট্রের গভীর সম্মান হিসেবে গণ্য করছেন। তিনি বলেন, পোস্টাল ভোটের এই সুযোগ প্রবাসীদের জন্য বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের মতামতের গুরুত্ব আছে। তাছাড়া ভোটের এই প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অনেক প্রবাসীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যারও স্থায়ী সমাধান হয়ে গেছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক।
এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ এবং প্রার্থীদের বৈচিত্র্য গত কয়েক দশকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। বাকি নিবন্ধিত বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (এমএল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদের একাংশ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম এই ৯টি দল নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেয়নি। নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৪ জন। একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি (২৯১ জন)। এবারের নির্বাচনে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র এবং ৭৬ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা যেহেতু পৌনে ১৩ কোটির ঘর ছুঁয়েছে এবং এবার একই সাথে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই ব্যালট মুদ্রণ ও ভোট গণনায় বিশেষ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রতিটি ভোটারকে দুটি পৃথক ব্যালটে সিল মারতে হবে, যার ফলে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ‘আমরা পর্যাপ্ত জনবল এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। যেহেতু ব্যালটের সংখ্যা দ্বিগুণ, তাই গণনার ক্ষেত্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের বাড়তি সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্গম ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বক্স পৌঁছানোর কাজও প্রায় শেষ।
অপরদিকে ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার রেজাউল করিম বলেন, ‘একটি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা নিঃসন্দেহে চ্যালেঞ্জিং। তবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের প্রশাসন চব্বিশ ঘণ্টা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমি সম্মানিত ভোটারদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আপনারা নির্ভয়ে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে এসে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।’
নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে। নির্বাচনি কোনো অনিয়ম, কারচুপি বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। যেকোনো অনিয়ম দমনে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। ভোটাররা যাতে কোনো প্রকার বাধা বা ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দিতে পারেন, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
আসন্ন ১২ই ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় একটি বড় পরীক্ষা। একদিকে বিশাল ভোটার বাহিনী আর অন্যদিকে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থীর অংশগ্রহণ— সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন এক বিশাল কর্মযজ্ঞের সামনে দাঁড়িয়ে। ভোটাররা কি তাদের রায় দিয়ে দেশের পরবর্তী পথচলা নির্ধারণ করবেন, নাকি পরিসংখ্যানের এই বিশালতা কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকবে, তা দেখার জন্য এখন অপেক্ষা কেবল কয়েক ঘণ্টার।










