দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা থেকে দূরে থাকলেও, বলিউডের প্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এখনও নিয়মিত খবরের শিরোনামে থাকেন। সম্প্রতি তার একটি পুরনো ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা বেশ কয়েক বছর আগের একটি ঘটনা ধারণ করছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ঐশ্বরিয়া ফারুখ শেখের জনপ্রিয় শো ‘জিনা ইসি কা নাম হ্যায়’-তে অতিথি ছিলেন।
যদিও সবাই তাকে একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রী হিসেবে চিনেন, খুব কম লোকই জানেন যে ঐশ্বরিয়া দারুণ গান করতে পারেন।তবে ঐশ্বরিয়া নিজেকে গায়িকা হিসেবে পরিচয় দিতে চাইলেন না। পাল্টা তিনি জানান, চন্দ্রচূড় সিংও ভালো গায়ক। এরপর ফারুখ শেখ উভয়কে একসঙ্গে গান গাইতে অনুরোধ করেন। প্রথমে কিছুটা দ্বিধার্ত ছিলেন ঐশ্বরিয়া, কিন্তু পরে তিনি রাজি হন। তিনি গেয়ে ওঠেন ‘মেরি সানসোঁ মে বাসা হ্যায় তেরা হি এক নাম’ গানটি। তার কণ্ঠে পুরো সেট স্থবির হয়ে যায় এবং উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হয়ে শোনেন। পরে চন্দ্রচূড়ও ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে গেয়ে সকলকে আরও অবাক করেন।
ভিডিওতে ফারুখ শেখ চন্দ্রচূড় সিংকে ‘জোশ’ ছবির সেট থেকে কোনো মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে বলেন। সেই সময় চন্দ্রচূড় ফাঁস করে বলেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন সত্যিই একজন অসাধারণ গায়িকা। তিনি বলেন, “ঐশ্বরিয়া খুব ভালো গান করেন, অনেকেই হয়তো এ কথা জানে না।”
তবে ঐশ্বরিয়া নিজেকে গায়িকা হিসেবে পরিচয় দিতে চাইলেন না। পাল্টা তিনি জানান, চন্দ্রচূড় সিংও ভালো গায়ক। এরপর ফারুখ শেখ উভয়কে একসঙ্গে গান গাইতে অনুরোধ করেন। প্রথমে কিছুটা দ্বিধার্ত ছিলেন ঐশ্বরিয়া, কিন্তু পরে তিনি রাজি হন। তিনি গেয়ে ওঠেন ‘মেরি সানসোঁ মে বাসা হ্যায় তেরা হি এক নাম’ গানটি। তার কণ্ঠে পুরো সেট স্থবির হয়ে যায় এবং উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হয়ে শোনেন। পরে চন্দ্রচূড়ও ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে গেয়ে সকলকে আরও অবাক করেন।
উল্লেখ্য, ‘জোশ’ ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন মনসুর খান এবং এটি ২০০০ সালে মুক্তি পায়। ছবিতে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং চন্দ্রচূড় সিং ছাড়াও অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ খান, যিনি ঐশ্বরিয়ার ভাইয়ের চরিত্রে ছিলেন। চন্দ্রচূড় সিং ঐশ্বরিয়ার প্রেমিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। সিনেমার গান এবং অভিনেতাদের পারফরম্যান্সের মিশ্রণ দর্শকদের মনে গভীর ছাপ রেখেছিল।
এ ভিডিওটি পুনরায় ভাইরাল হওয়ায় মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, ঐশ্বরিয়া শুধু অভিনয়েই নয়, গানের ক্ষেত্রেও অসাধারণ প্রতিভা রাখেন। এই ক্লিপটি তার মিউজিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি, ক্যামেরার সামনে তার সহজ ও প্রাণবন্ত চরিত্রেরও প্রমাণ।
বিথী রানী মণ্ডল/









