শিক্ষাখাতে ডিজিটাল বিপ্লব: আসছে স্মার্ট রেকর্ডিং ও কনফারেন্স রুম

মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপনের পর এবার শিক্ষা প্রশাসনের আঞ্চলিক কার্যালয় এবং সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে (TTC) আধুনিক ডিজিটাল কনফারেন্স ও রেকর্ডিং রুম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব স্মার্ট ক্লাসরুমস ইন সিলেক্টেড সেকেন্ডারি স্কুলস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিনহাজউদ্দীন আহম্মদের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে চীনা কারিগরি দল একটি সমীক্ষা (Feasibility Study) সম্পন্ন করেছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী:
  • স্মার্ট ক্লাসরুম: ৩০০টি।
  • কনফারেন্স রুম: ৩০টি।
  • রেকর্ডিং রুম: ১০টি।
প্রকল্পের চূড়ান্ত কারিগরি সমাধান ও বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ের জন্য চীনা কারিগরি দলের সরবরাহকৃত প্রশ্নমালার আলোকে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয় এবং সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোকে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্ধারিত দুটি গুগল ফর্ম লিংকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।
 স্মারকে ডিজিটাল রুম স্থাপনের জন্য কক্ষ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: ১. নতুন ভবন: অপেক্ষাকৃত নতুন বা আধুনিক ভবনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ২. উঁচু তলা: কনফারেন্স ও রেকর্ডিং রুমের জন্য ভবনের উঁচু তলার কক্ষগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে উন্নতমানের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ডিজিটাল রেকর্ড ও ভার্চুয়াল কনফারেন্সিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

লামিয়া আক্তার