শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের কোনো প্রতিষ্ঠানের দিকে হাত বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না, হাত ভেঙে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের কিছু কিছু সাংবাদিকের কারণে সাংবাদিকতার যে মর্যাদা, সেটা ম্লান হয়ে গিয়েছে।
সাংবাদিকদের বাঁচার একটিই পথ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, সেটা হলো ঐক্যবদ্ধতা, একতাবদ্ধতা। এক সাথেই আমরা সবার হাত ধরে এগোবো। সেটা যদি পারি, আমরা বাঁচতে পারবো; না হলে আমাদেরকে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হতে হবে। আর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে প্রকৃত সাংবাদিকদের সাথে, কোনো সন্ত্রাসীর সাথে নয়, কোনো দলদাসের সাথে নয়। আমরা যদি গণমাধ্যমকে বাঁচাতে চাই, নিজেরা বাঁচতে চাই, আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে এক শামিয়ানার নিচে সমবেত হওয়ার বিকল্প নেই।
বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না। ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এই নীতিমালার শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা যাবে না। আপনারা ঘোষণা দিচ্ছেন যে নবম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি, দশম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি—বাস্তবে হাতেগোনা দু-চারজনকে দেন, অন্যদের দেন না; বিশেষ করে ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা পায় না। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড সকল গণমাধ্যমে কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।
সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, আরিচ আহমেদ শাহ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।
ক্লাবের সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুলের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসাইন প্রমুখ।
-সাইমুন










